লক্ষ্মীপুরে জমি সংক্রান্ত বিরোধে আহত ২

0
598

আমার লক্ষ্মীপুর ডট কম, লক্ষ্মীপুর, কিশোর কুমার দত্ত, ৬ আগষ্ট:
জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে লক্ষ্মীপুরে প্রতিপক্ষের হামলায় নুর হোসাইন (৫১) ও মাকছুদুর রহমান (৩৩) নামের ২ জন আহত হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে ও রবিবার সন্ধ্যায় সদর উপজেলার লাহারকান্দি হাই স্কুলের সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহতদেরকে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় রুহুল আমিনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো ৫/৬ জনকে আসামী করে সদর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। বর্তমানে আহত মাকছুদুর রহমান হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে।
আহতরা হলেন, লাহারকান্দি ইউনিয়নের আবিরনগর গ্রামের লুৎফর রহমানের ছেলে এবং হামলার শিকার নুর হোসাইন নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে অফিস সহায়ক পদে কর্মরত রয়েছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার আবিরনগর গ্রামের রুহুল আমিন গংদের সাথে তার বাবার কিছু জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। এর জের ধরে গত শুক্রবার বিকেলে নুর হোসাইন তার বাবাকে নিয়ে বাড়িতে যাওয়ার সময় লাহারকান্দি হাই স্কুলের সামনে পৌঁছলে রুহুল আমিন তার লোকজন নিয়ে হামলা চালায়। এক পর্যায় তাকে হত্যার উদ্দ্যেশে তার গলা টিপে ধরে। এ সময় তার আর্তচিৎকারে আশ-পাশের লোকজন এগিয়ে এলে রুহুল আমিন তার লোকজন নিয়ে পালিয়ে যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করে।
আহত নুর হোসাইন জানান, আমাকে প্রথম দফায় মারধর করেও রুহুল আমি ক্ষান্ত হয়নি। গতকাল রবিবার তার ভাই মাকসুছুর রহমানের উপর হামলা চালিয়ে এলোপাতাড়ি কিল ঘুষি মারে এবং তার হাতে থাকা ধারালো অস্ত্র¿ দিয়ে তাকে রক্তাত্ব জখম করে।
এ সময় আশে-পাশের লোকজন দেখলে পুলিশ বলে চিৎকার দিলে রুহুল আমিন পালিয়ে যাওয়ার সময় পাশে লোহার গ্রীলের উপর পড়ে সে মাথায় জখম পায়। তিনি আরো জানান, এর আগে ২০১০সালে নুর হোসাইনের মা এবং চাচাকে মারধরের অভিযোগে লক্ষ্মীপুর আদালতে জিআর ৫৪৪/১০ এবং ৫৩৪/১০ নাম্বারে পৃথক দু’টি মামলায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয় এবং বর্তমানে সেই দু’টি মামলা আদালতে চলমান রয়েছে। আদালতে মামলা চলা অবস্থায় সে জমি বিরোধের জের ধরে আমাদের মার-ধর করে। আমি ন্যায় বিচারের জন্য প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছি।
এ দিকে, এ ব্যাপারে অভিযুক্ত রুহুল আমিনের বক্তব্যের জন্য বারবার চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

নিউজ: কিশোর কুমার দত্ত।