আগামী ৯এপ্রিল প্রবীণ সাংবাদিক এম এ মালেকের ১ম মৃত্যুবার্ষিকী

0
73

আমার লক্ষ্মীপুর ডট কম, লক্ষ্মীপুর, শিতাব আযিয, ৪এপ্রিল: লক্ষীপুর প্রেসক্লাবের সাবেক প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ও আজীবন সদস্য, জেলা রিপোর্টাস ইউনিটির সভাপতি, চেম্বার অব কমার্সের সাবেক সাধারন সম্পাদক, কলেজিয়েট উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও প্রগতি উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক মহুরম এম. এ মালেকের প্রথম মৃত্যু বার্ষিকী আগামী মঙ্গলবার ৯এপ্রিল।
মৃত্যুর আগ পর্যন্ত এম এ মালেক জাতীয় দৈনিক ভোরের পাতার পত্রিকার ব্যুরো প্রধানের দায়িত্বে ছিলেন।
লক্ষ্মীপুর জেলা বাসীর কাছে তিনি ছিলেন একজন প্রিয় মানুষ ও সাংবাদিকতার জগতের অনবদ্য কলম সৈনিক। সাংবাদিকতা জগতে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশে সাহসী এ কলম সৈনিক অতি সহজে সাধারন মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন।
মরহুমের বড় ছেলে লক্ষ্মীপুর প্রেস ক্লাবের নির্বাহী সদস্য ও বিজনেস বাংলাদেশ পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি নাজিম উদ্দিন রানা জানান, আগামী ৯ই এপ্রিল মরহুমের প্রথম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে নিজ গ্রাম লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ড সমসেরাবাদ হাজী চুন্নু মিয়া হাওলাদার জামে মসজিদে মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে মিলাদ ও দোয়া অনুষ্ঠিত হবে।

মরহুম এম এ মালেকের সাংবাদিকতার জীবনী ঃ
প্রবীণ সাংবাদিক এম এ মালেক লক্ষ্মীপুর প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা আহবায়ক ও পরবর্তিতে সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। সদর উপজেলার সমসেরাবাদ গ্রামের হাজী চুন্নু মিঞা হাওলাদার বাড়ীর সভ্রান্ত এক মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন। তার পিতা ছিলেন সরকারী রেজিষ্ট্রেশন বিভাগের কর্মকর্তা। ৬ভাই ২বোনের মধ্যে এম এ মালেক ছিলেন চতুর্থ।
ভাই বোন সকলেই উচ্চ শিক্ষিত। বড় ভাই মরহুম আবদুল গোফরান ছিলেন সরকারী রাজস্ব কর্মকর্তা। ২য় ভাই এম এ মতিন ছিলেন ১ম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট ও মুক্তিযোদ্ধা। ৪র্থ ভাই প্রকৌশলী মোঃ শাহজাহান বি টি এম সির একজন অন্যতম উপদেষ্টা। ৫ম ভাই ডাঃ জাকির হোসেন লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার আর এম ও ছিলেন।
ছোট ভাই আবুল আহসান টেলু একজন ক্যামিকেল ইঞ্জিনিয়ার। তিনি সমসেরাবাদ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে লেখাপড়া শুরু করেন। তার পরে লক্ষ্মীপুর মডেল হাইস্কুলে অধ্যয়নকালে দৈনিক আজাদ পত্রিকায় তার সাংবাদিকতার হাতে খড়ি। পরবর্তীতে চৌমুহনী এস এ কলেজে অধ্যয়নকালীন সময়ে দৈনিক পূর্বদেশ, দৈনিক বাংলা, দৈনিক কিষাণে, দৈনিক দেশ বাংলায় লেখালেখি করেন এবং লক্ষ্মীপুর থেকে প্রকাশিত দৈনিক আল চিশ্ত ও দৈনিক লক্ষ্মীপুর কন্ঠে দীর্ঘদিন সম্পাদনার দায়িত্ব পালন করেন।
ষাট দশকের তুখোড় ছাত্র নেতা হিসেবে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব প্রদান করেন। মরহুম মালেক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ঢাকা টিটি কলেজ থেকে বিএড সমাপ্ত করেন। দীর্ঘ ১৫বছর সিলেটের ছাতক এবং সাভারের দোসাইদ এ.কে হাইস্কুলে পর্যায়ক্রমে প্রধান শিক্ষক ছিলেন। বিএড অধ্যায়ন কালীন সময়ে ১৯৭৫-৭৬ সালে টিটি কলেজের ছাত্র সংসদ এর নির্বাচিত জিএস ছিলেন। তিনি সাংবাদিকতা জীবনে অসংখ্য প্রশিক্ষণ ও কর্মশালা অংশগ্রহণ করেছিলেন।
২০১৮ইং সনের ৯এপ্রিল প্রবীণ সাংবাদিক এম এ মালেক বার্ধ্যক্যজনিত ও শারিরীক অসুস্থায় ইন্তেকাল করেন, ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্নাইলাজি রাজিউন।

নিউজ: শিতাব আযিয।